এখন রিমোট জব করে
ক্যারিয়ার গড়ার শ্রেষ্ঠ সময়!
কিন্তু এদেশের লক্ষ লক্ষ গ্র্যাজুয়েটদের চিরন্তন সমস্যা...
সমাধান একটাই — "ইন্টার্নশিপ ব্লুপ্রিন্ট" পড়া চাই।
এখনই আমার কপি চাইএকবারের পেমেন্ট • তাৎক্ষণিক ডাউনলোড • আজীবন অ্যাক্সেস
আমার ব্যক্তিগত গ্যারান্টি
জদি আপনি এই গাইডে লেখা ইন্সট্রাকশন অ্যাপ্লাই করে ১-৩ মাসের মধ্যে রেজাল্ট না পান, তাহলে আমাকে জানাবেন — আমরা আপনার পুরো টাকা রিফান্ড করে দেব এবং আপনার সময় নষ্ট হওয়ার জন্য অতিরিক্ত ১৯৭ টাকা দেব স্যরি বলার জন্য।
আমি কথা দিচ্ছি — এই ফ্রেমওয়ার্ক এবং স্ট্র্যাটেজিগুলো আপনার জন্য শুধু চাকরি না, জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক দরজা খুলে দেবে — বিশেষত ক্লায়েন্ট হ্যান্ডলিং-এ এই স্কিলগুলো সরাসরি কাজে লাগবে।
কেন আপনি রিমোট জব পাচ্ছেন না?
ধরা যাক ফাহিমের কথা। সে সদ্য ভার্সিটি পাস করে বের হয়েছে। গত ছয় মাসে সে বিডিজবস আর লিংকডইন মিলিয়ে প্রায় তিনশো কোম্পানিতে সিভি পাঠিয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত একটি কোম্পানি থেকেও সে ইন্টারভিউয়ের ডাক পায়নি। ফাহিম হতাশ হয়ে ভাবছে, মামা-চাচা ছাড়া কি দেশে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়?
এ দেশে আমরা ক্যারিয়ার শুরু করি অন্যের দেখাদেখি অথবা সিনিয়রদের ব্যাকডেটেড পরামর্শ শুনে। ইন্টারনেট থেকে একটা দুই পৃষ্ঠার সিভি ডাউনলোড করে গণহারে সব জবে অ্যাপ্লাই করতে থাকি। বর্তমান করপোরেট দুনিয়া কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ক্লিয়ার আইডিয়া থাকে না। তাই তো মাঠে নেমেই আমরা বারবার রিজেক্ট হতে থাকি।
ইন্টার্নশিপ বা জবে অ্যাপ্লাই করার প্রতিটি ধাপে আমরা অসংখ্য ভুল করতে থাকি। কারণ বাংলাদেশের কনটেক্সটে, একজন এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া ফ্রেশার কীভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করবে — তার কোনো প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন কোথাও নেই।
"ইন্টার্নশিপ ব্লুপ্রিন্ট" পড়ে কেউ রিজেক্ট হয় না, কারণ —
এই ইবুকে শুধু মোটিভেশন দেওয়া হয়নি। এখানে সিভি বানানো থেকে শুরু করে পোর্টফোলিও ডিজাইন, এআই-এর ব্যবহার, কোল্ড ইমেইল পাঠানো এবং ঘরে বসে দেশের বাইরে রিমোট জব পাওয়ার স্টেপ বাই স্টেপ ফ্রেমওয়ার্ক শেয়ার করা হয়েছে। এতে আপনি ফাহিমের মতো অসংখ্য অজানা ভুল থেকে বেঁচে যাবেন।
শুধু সিজিপিএ থাকলে আর গাধার মতো সিভি ড্রপ করলেই এখনকার দিনে জব হয় না। ইনফ্যাক্ট এটাই এখনকার রিয়েলিটি। ডিজিটাল এই যুগে জব খোঁজা মানে একটা ব্যাটেলগ্রাউন্ড। এখানে হাজার মানুষের ভিড়ে রিক্রুটারের নজর কাড়তে হয়। তাই প্রয়োজন রাইট স্কিল, সিক্রেট আউটরিচ স্ট্র্যাটেজি এবং মানি মেকিং মাইন্ডসেট।
রিমোট জব পাওয়াটা ভাগ্যের বিষয় নয়, এটি একটি লার্নেবল স্কিল। আপনি যদি সঠিক মানুষের কাছে সঠিক উপায়ে নিজের ভ্যালু প্রপোজ করতে পারেন, তবে আপনার এক্সপেরিয়েন্স না থাকলেও কোম্পানি আপনাকে নিতে বাধ্য।
আমি যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি (আমার গল্প)
আমি COVID-এর সময় ২০২০ সালে জব হারাই — পুরাই দিশেহারা অবস্থা। কয়েকশো জায়গায় অ্যাপ্লাই করলাম, no call, no reply। শেষে শুরু করলাম LinkedIn outreach এবং cold email outreach।
আমি পুরো ৩৬০ ডিগ্রি বদলে গেলাম। আমার সিভির ফরম্যাট, পোর্টফোলিও সব কিছু পালটে ফেললাম। এরপর যখন নতুন করে মাঠে নামলাম, রেজাল্ট দেখে আমি নিজেই অবাক!
মাত্র ১ মাসে এক টানা রেগুলার কয়েক ডজন অ্যাপ্লাই করার সাথে সাথে ম্যাজিকের মতো কয়েকটা মিটিং ফিক্স করে ফেললাম। দুই জায়গায় ফাইনালাইজ হয়েছিলাম — তার মধ্যে Frontstory ছিল সেই কোম্পানি যেখানে আমি যোগ দিলাম। আমার ছোট বোন আর আমি একসাথে শুরু করলাম রিমোট জবের জার্নি। আমার স্টার্টিং স্যালারি ছিল ২৫ হাজার টাকা — Assistant Campaign Manager হিসেবে।
আমি নিজে যেহেতু অনেক রিজেকশন এবং হতাশা পার করে সফল হয়েছি, আমি চাই সেইম কষ্ট আর ভুলগুলো এখনকার তরুণরা না করুক। তাদের জন্যই আমার সব অভিজ্ঞতা এবং রেডিমেড টেমপ্লেট দিয়ে সাজিয়েছি এই ইবুক।
COVID-এ জব হারিয়ে নতুনভাবে শুরু
নতুন স্ট্র্যাটেজিতে একাধিক মিটিং ফিক্স
স্টার্টিং স্যালারি রিমোট জবে
জবের পোর্টালে আপনি হাজার মানুষের মাঝে শুধু একটি সংখ্যা। কিন্তু আপনি যখন সঠিক পোর্টফোলিও নিয়ে আউটরিচ করবেন, তখন রিক্রুটারের কাছে আপনি হয়ে উঠবেন একটি সমাধান।
এই ইবুক থেকে আপনি যা যা শিখবেন:
"নো এক্সপেরিয়েন্স" ট্র্যাপ থেকে বের হওয়া
"নো এক্সপেরিয়েন্স" ট্র্যাপ থেকে বের হয়ে আসার পরীক্ষিত উপায়।
এআই ব্যবহার করে ১০ গুণ এগিয়ে
বিগিনার হিসেবে এআই ব্যবহার করে অন্যদের চেয়ে দশ গুণ এগিয়ে থাকার ট্রিকস।
হাই-কনভার্শন পোর্টফোলিও
কোনো ক্লায়েন্টের কাজ না করেও কীভাবে হাই-কনভার্শন পোর্টফোলিও বানাবেন।
রিক্রুটার-ম্যাগনেট সিভি + টেমপ্লেট
যে সিভি দিলে রিক্রুটার রিপ্লাই দিতে বাধ্য হবে (সাথে রেডিমেড টেমপ্লেট)।
কোল্ড ইমেইল এবং লিংকডইন ডিএম
কোল্ড ইমেইল এবং লিংকডইন ডিএম পাঠানোর সিক্রেট স্ট্র্যাটেজি।
ইন্টারভিউ হ্যাকস ও ম্যাজিক ফ্রেমওয়ার্ক
"টেল মি অ্যাবাউট ইওরসেলফ"-এর ম্যাজিক ফ্রেমওয়ার্ক এবং ইন্টারভিউ হ্যাকস।
আনপেইড থেকে ফুল-টাইম পেইড জব
আনপেইড ইন্টার্নশিপকে ফুল-টাইম পেইড জবে কনভার্ট করার উপায়।
গ্লোবাল ও রিমোট ক্লায়েন্ট খোঁজা
গ্লোবাল বা রিমোট ক্লায়েন্ট খোঁজার প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন।
বইটি কাদের জন্য?
ভার্সিটির ৩য় বা ৪র্থ বর্ষের স্টুডেন্ট
যারা ক্যারিয়ার নিয়ে সিরিয়াস।
সদ্য পাস করা ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট
যারা এক্সপেরিয়েন্সের অভাবে আটকে আছেন।
রিমোট ওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান
যারা গতানুগতিক জব ছেড়ে রিমোট ওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান।
বারবার ইন্টারভিউ বোর্ডে রিজেক্টেড
যারা বারবার ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে রিজেক্ট হচ্ছেন।
আপনার স্কিলের পেছনে ইনভেস্টমেন্ট কখনোই বিফলে যায় না। সঠিক গাইডলাইন ছাড়া আপনি হয়তো বছরের পর বছর ঘুরবেন, কিন্তু সঠিক গাইডলাইন আপনার সেই সময়কে কয়েক মাসে নামিয়ে আনবে।
ইবুকের ভেতরের কিছু ঝলক
অনেকেই ভাবতে পারেন, এই ইবুকে এমন কী আছে যা ইন্টারনেটে ফ্রি-তে পাওয়া যায় না? ইন্টারনেট হলো তথ্যের মহাসমুদ্র, কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের কনটেক্সটে গোছানো এবং প্র্যাকটিক্যাল রোডম্যাপ নেই। চলুন, ইবুকের ভেতর থেকে কিছু লাইন একনজরে দেখে নিই:











স্পেশাল বোনাস (হাই-কনভার্শন টুলস)
বইয়ের শেষে আপনাদের জন্য থাকছে — যাতে আজ থেকেই আপনি কাজ শুরু করে দিতে পারেন।
এডিটেবল সিভি টেমপ্লেট
প্রফেশনাল, ATS-ফ্রেন্ডলি, রেডিমেড — শুধু আপনার তথ্য বসিয়ে দিন।
কোল্ড ইমেইল ও ডিএম স্ক্রিপ্টস
কপি করুন, ব্যক্তিগতকৃত করুন এবং পাঠিয়ে দিন।
পোর্টফোলিও স্যাম্পল স্ট্রাকচার
হাই-কনভার্শন পোর্টফোলিও কাঠামো — শুরু থেকে শেষ গাইড।
৭ দিনের অ্যাকশন চেকলিস্ট
আজ থেকেই শুরু করুন — প্রতিটি দিনের কাজ ধাপে ধাপে সাজানো।
ক্যারিয়ার জাদুতে বদলায় না,
বদলায় সঠিক অ্যাকশনে।
তো আর দেরি কেন?
কালকে শুরু করব বলে যারা ফেলে রাখে, তারা কখনোই শুরু করতে পারে না। প্রোক্রাস্টিনেশন বা গড়িমসি করা হলো সফলতার সবচেয়ে বড় শত্রু। যারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, ক্যারিয়ারের দৌড়ে তারাই সবার আগে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছায়।
বিশেষ মূল্যে পেতে হলে এখনই অর্ডার করুন — সময় শেষ হলে অফার উঠে যাবে
এই পেজে আসার পর থেকে টাইমার শুরু হয়েছে।
এখনই অর্ডার করুন — সময় শেষের আগেই